নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি:
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার পুটিমারী ইউনিয়নের কালিকাপুর গ্রামের বাসিন্দা মরহুম মহুবার রহমানের স্ত্রী ৩ পুত্র ও ৩ কন্যা সন্তান রেখে গত ৬/৯/২০২০ ইং তারিখে মৃত্যূ বরণ করেন। মৃত্যুর পর হতে তারই আপন ছোট ভাই মো: মকবুল হোসেন তার ছেলে মো:মনিরুল হোসেন ও তার জামাতা রজিদুল ইসলাম সহ নানান হয়রানী জোড়পূর্বক ভিটাবাড়ী বিভিন্ন প্রজাতির গাছ দখলের অভিযোগ উঠেছে।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায় , খতিয়ান নং ১২৮৬ ও হাল দাগ নং ৪৭১ মূলে ১৯৮৪ সালে পুত্রবধু মফেছা বেগম নামীয় ৩০ শতক জমি হেবার ঘোষণা করেন শ্বশুর মো: নেছার উদ্দিন।
১৯৮৪ সাল হতে মফেজা বেগম ভোগ দখল করিয়া আসিতেছে।
স্বামীর মৃত্যুর পর মফেজা বেওয়ার দেবর ভূমিদস্যূ মকবুল হোসেন, ভাতিজা মনিরুল ইসলাম ও ভাতিজি জামাতা রজিদুল ইসলাম সহ নানার রকম হয়রানী, মামলা হামলা সহ বিভিন্ন ভয়ভীতি প্রদর্শন করিয়া আসিতেছে।
অদ্য তারিখ ৫/৪/২০২১ সকাল ৯ ঘটিকায় অর্পিত সম্পত্তির উপর বাথরুম,৫০ সুপারী গাছ সহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ আছে। ভাড়াটিয়া জনবল দিয়ে অনাধিকার প্রবেশ করিয়া অনেক ক্ষতি সাধন করে।
অবৈধ ভাবে ৩ শতক জমি ভূয়া মালিকানা দাবী করিয়া ব্যবহৃত বাথরুমের সেফটি ট্যাংক ভেঙ্গে ফেলে এবং ভূমিদস্যু মকবুল হোসেন ভয়ংকর ও প্রভাবশালী হওয়ায় ভুক্তভোগী মফেছা বেওয়া স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তি বর্গের দ্বাড়স্থ হয়েছেন।
এ বিষয়ে মকবুল হোসেনের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমাকে ২ শতক জমি লাগবেই যে ভাবেই হোক আমি নিবো। তিনি আরও বলেন জমির উপর গাছ গাছালী আমার নয়।

