শিরোনাম
সর্বশেষ সংবাদ লোড হচ্ছে...

কিশোরগঞ্জে আগাম আলু চাষী ব‍্যস্ত সময় পাড় করছে

 



আগাম আলু রোপণের লক্ষ‍্যে নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার ৯ ইউনিয়নের অধিকাংশ এলাকায় কৃষিজমি প্রস্তুত করতে দিনভর ব্যস্ত সময় পার করছে আলু চাষীরা।আগাম আলুু চাষে অধিক লাভের আশায় আলু রোপণ উৎসবে দিনভর কাজ করে যাচ্ছে।গত বছরে কৃষকরা উৎপাদিত আলু পার্শবর্তি এলাকার বিভিন্ন হিমাগারে মজুদ করে রাখা বীজ গুলো উত্তোলন করে যাচ্ছে।সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত হিমাগার থেকে বীজ আলু নেওয়া,  জমি পরিস্কার- পরিচ্ছন্ন,আলু চাষের চিন্তা করে যাচ্ছেন। এ বছর উপজেলায় প্রায় সাড়ে ৪ হাজার হেক্টর জমিতে আলুর আবাদ করার লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। 


কৃষিজমিতে কৃষকের ব্যস্ততা দেখে বোঝা যায় আগাম আলু চাষে তোরজোর শুরু হয়ে গেছে। লাভ লোকসানের কথা চিন্তা না করে আগাম আলু রোপণেই তাদের মূল লক্ষ।

এ উপজেলার অধিকাংশ কৃষকই আলু চাষ করে অর্থকরী ফসল হিসাবেই। একদিকে তারা আর্থিক ভাবে স্বচ্ছল হবে অন‍্যদিকে রাজস্বখাত মজবুত হবে।তাই কৃষকরা এখন আলু আবাদ করে লাভের আশায় নতুন স্বপ্ন বুনছে। আলু আবাদ করেই আগামীর অর্থনৈতিক ভিত তৈরির স্বপ্ন দেখছেন কৃষককুল।


উপজেলার বাহাগিলী ইউনিয়নের উত্তর দুরাকুটি, দক্ষিণ দুরাকুটি, নিতাই ইউনিয়নের বাড়িমুধুপুর, ডাঙাপাড়া, কুঠিয়ালপাড়া, সদর ইউনিয়নের কেশবাসহ বেশ কিছু এলাকা উচু হওয়ায় কৃষকের আগাম আলু চাষাবাদের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন। এরই অংশ হিসেবে জমি পরিচর্যা শুরুর পাশাপাশি তারা জমিতে সার দেওয়া ও রোপণের উপযুক্ত করতে কৃষকরা এখন ব্যস্ত সময় অতিবাহিত করছেন।


এসব এলাকার কৃষককুল আলু আবাদের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, এ উপজেলার কৃষককুল সাধারণত সেভেন আলুবীজ রোপণ করে থাকেন। তা ছাড়া কারটিনাল ও গ্যালুনা আলুবীজও রোপণ করা হয়। এ লক্ষ্যে কৃষক এখনই আলুবীজ ও সার সংগ্রহে মাঠে নেমে পড়েছেন।


কিশোরগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ হাবিবুর রহমান জানান,আসন্ন চলতি মৌসুমে এ উপজেলায় আনুমানিক প্রায় সাড়ে ৪ হাজার হেক্টর জমিতে আলু আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এলাকার খবর