নীলফামারী প্রতিনিধিঃ
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার বাহাগিলি ডাঙ্গা গ্রামের মরহুম নমির উদ্দিনের ছেলে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক আতাউর রহমান আতা একের পর এক ষড়যন্ত্র মূলক মিথ্যা ও হয়রানীমূলক মামলার শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন।
সম্প্রতি ১৯ নভেম্বর দৈনিক যুগের আলোয় প্রকাশিত " কিশোরগঞ্জে স্বপ্নের খামার পুড়ে ছাইঃ সাতদিনে মামলা হয়নি" শীর্ষক সংবাদ টি প্রসঙ্গে তিনি গনমাধ্যম কর্মীকে বলেন, আমাকে হেনস্তা করার জন্য একের পর এক মিথ্যা, ভিত্তিহীন, ষড়যন্ত্রমূলক ভাবে হয়রানী করে আসছে। এলাকায় আমার জনপ্রিয়তা নষ্ট করার একটা পায়তারা চলছে।তিনি আর ও বলেন, সোহেল রানার খামারে কোন মুরগী ছিল না। লাখানো আগুন হলে পুরো ঘর পুড়ে যাওয়ার কথা কিন্ত কিছুই পোড়া যায় নি।শুধু মাত্র আমাকে উদ্দেশ্য প্রণোনিত ভাবে হয়রানী করা হচ্ছে।
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বাহাগিলি ইউনিয়নে একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে এলাকায় অনেক উন্নয়ন মূলক কাজ করেছি। আগামী ২৮ নভেম্বর তৃতীয় ধাপের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আমাকে পরিকল্পিত ভাবে নির্বাচন থেকে সরানোর একটা অপকৌশল মাত্র।
আতাউর রহমান আতা পরিবারের নিরাপত্তার দাবী করে বলেন, তারা প্রকাশ্যে আমাকে হুমকি দিয়ে আসছে এবং বলে বেড়াচ্ছে নির্বাচন তোর মুখ দিয়ে বের করে দিবো। আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে আমি আমার পরিবারের নিরাপত্তা চাই।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, সোহের রানার খামারে কোন মুরগী ছিল না। সামান্য কিছু জায়গায় লাগানো আগুনের চিহৃ দেখা যায়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এলাকার অনেকের বলেন, তার মুরগী বিহিন খামারের পাশ দিয়ে বালুর গাড়ী যাতাযাত করে। জরিমানা খাওয়ার জন্য মানুষের বুদ্ধি শুনি সোহেল নিজেই এই নাটক সাজিয়েছে।
খামার পুড়ে যাওয়া প্রসঙ্গে গনমাধ্যম কর্মীর এক প্রশ্নের জবাবে জিকরুল হক (সোহেলের পিতা) বলেন, রাত ৩ টায় আতা আগুন লাগাইছে। আপনি দেখেছেন এবং তাকে ধরলেন না কেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি সদুত্তর দিতে পারেনি।
একাধিক ফোন করে ও খামার মালিক সোহেল রানাকে পাওয়া যায় নি।
এ বিষয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক( তদন্ত) এস এম শরিফ বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত সাপেক্ষে উভয় দলকে নিয়ে ময়নাকুড়িঁ সরকারী প্রাঃ বিদ্যালয়ে বসিয়ে আগামী ৪/৫ দিনের মধ্যে আপোষ মীমাংসা জন্য স্থানীয় প্রতিনিধিকে বলা হয়েছে।