শিরোনাম
সর্বশেষ সংবাদ লোড হচ্ছে...

কিশোরগঞ্জের বড়ভিটায় ইউপি চেয়ারম্যান এর নিজেস্ব অর্থায়নে পুরো মাস ব্যাপি ইউনিয়নের প্রতিটি মসজিদে ইফতারও দোয়া মাহফিল







মোঃ আশরাফুল ইসলাম রাজু


মুসলিম উম্মার ফজিলতের মাস মাহে রমজান। আর এই মাসের পুরোটা সময় জুরে সমাজের সর্বস্তরের মানুষদের সাথে নিয়ে ইফতারে সামিল হওয়া এটি একটি মহতী উদ্যোগ। এই মহতী উদ্যোগটি সম্পুর্ন করে চলেছেন দ্বীনের পথে দৃহতার সহিত একত্বা ঘোষনাকারী নীলফামারি জেলাধীন কিশোরগঞ্জ উপজেলার ১নং বড়ভিটা ইউপির ৬ বারের সফল চেয়ারম্যান ৪বারের হজ্বব্রত পালনকারী জনাব আলহাজ্ব ফজলার রহমান।তিনি ইউনিয়নের প্রতিটি মসজিদে গোটা রমজান মাস ব্যাপি এই ইফতার ও দোয়া মহফিলেরর কার্যক্রম চলমান রেখেছেন। এতে করে ইউনিয়নের সকল ধর্মপ্রান মুসলিম উম্মার ভাইয়েরা একসাথে কাতার বন্দি হয়ে এই ইফতার খাচ্ছেন।


ইউনিয়নের সর্বমোট ৩৪টি মসজিদে গিয়ে তিনি প্রতিনিয়ত একের পর এক ইফতার ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেই চলেছেন।ইউনিয়নের মেলাবর ইউ এস দাখিল মাদ্রার মাঠে থাকা মসজিদের দায়িত্বরত মোয়াজ্জিন মোঃ দুখু মিয়া বলেন,হামার চেয়ারম্যান একজন দ্বীনদার ঈমানদ্বার পরহেজগারি মানুষ, উনি মাদক, জুয়া, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ এসবের বীপরিতে দেওয়াল সমতুল্য। ইসলামের পথে তিনি সব সময় বলিয়ান। তিনি আমাদের মসজিদে ইফতারের আগে এসে মাইক দিয়ে সমস্থ রোজাদার ভাইদের মসজিদে ডেকে মাহে রমজান মাসের ফজিলতের কথা বলেন, কোন পথে চললে মৃত্যুর পরবর্তী জীবনে সুখের ছায়াতল মিলবে সে বিষয়ে কথা বলেন একই সাথে গোটাসমাজ তথা তার ইউনিয়নের প্রতিটি মানুষকে অন্যায় অবিচার, মাদক, সন্ত্রাস কিংবা জঙ্গিবাদের বীপরিতে কাজ করার আহ্বান জানান।


এসময় তাঁর সফর সঙ্গী হাফেজ মোঃসিয়াবুল ইসলাম, মামুনার রশিদ মামুন, অবসর প্রাপ্ত আরমি মোঃ মোকছেদুল ইসলাম সহ অনেকেই উপস্থিত মুসল্লিগনের সামনে ঈমান ইকিনও পবিত্র মাহে রমজানের ফজিলতের কথা তুলে ধরেন। ইফতার ও দোয়া মাহফিল শেষে একই কাতারে কাতার বন্দি হয়ে নামাজে সামিল হন ইউপি চেয়ারম্যান জনাব আলহাজ্ব ফজলার রহমান সহ ইউনিয়নের অন্য সকল মুসল্লিরা।


পরবর্তীতে কথা হলে এই ইউপি চেয়ারম্যান জনাব আলহাজ্ব ফজলার রহমান বলেন, বাবা আমার বয়স ৭৫ বছরেরও বেশি আল্লাহ আমাকে ৬  বার কবুল করেছেন এই ইউনিয়নের দায়িত্ব পালন করার মাধ্যমে গরিব দুস্ত শ্রেনীর মানুষদের সেবা করার জন্য। আমি স্বচ্ছতার সহিত এই ঈমানী দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি আর এই স্বচ্ছতার মাধ্যমে যেন আমার বাকিটা জীবন কাঁটাতে পারি এটাই আমার প্রতিঙ্গা। প্রতিটি মানুষের দ্বারে গিয়ে ইফতারের দাওয়াত প্রদান করার মাধ্যমে আমি তালাশ করি ঐ সকল গরীব দ্বীনদার ঈমানদার ভাইদের যাদের নিয়ে একসাথে ইফতারি খাই আমি। এটা সুধু এবছরেই নয় প্রতি বছরেই এভাবে ইফতারের আয়োজন করার মাধ্যমে আমি আত্নতৃপ্তিবোধ করি। বাকি জীবনে আল্লাহ আমাকে হায়াত দিলে এমন আয়োজন প্রতি রমজান মাসেই চলমান থাকবে বলেও জানান তিনি। পরিশেষে সকলের কাছে দোয়ার দরখাস্ত করেন তিনি নিজের ও সকল মুসলমান নর - নারীর জন্য।

এলাকার খবর