শিরোনাম
সর্বশেষ সংবাদ লোড হচ্ছে...

কিশোরগঞ্জে ইজারাদার কর্তৃক চাদাঁ দাবী ও দোকান ভাংচুরের অভিযোগ

 



নীলফামারী থেকে


নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার বড়ভিটা বাজারের ইজারাদার মনজুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে দোকানদারের নিকট চাদাঁ দাবী ও কাচাঁ মাল দোকান ভাংচুর এবং মালামাল লাথি মেরে ফেলে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে।


ঘটনাটি ঘটেছে গত ২১ এপ্রিল বিকাল ৫ ঘটিকায় প্রতিদিনের ন‍্যায় ভুক্তভোগী শিপলু মিয়া তার পজেশন কৃত দোকানে মালামাল নিয়ে বসে। বসার ৩০ মিঃ পর ইজারাদার মনজুরুল ও বাবু মিয়া নতুন ইজারাদার হিসাবে ৫০,০০০ / হাজার টাকা দাবী করে হুমকি দিয়ে বলেন আমরা নতুন ইজারা নিয়েছি অনেক টাকা খরচ হয়েছে এখানে দোকান করতে চাইলে ৫০,০০০/ হাজার টাকা দিতে হবে। অন‍্যথায় দোকানদারী করতে পারবি না।



দোকানদার শিপলু মিয়া বলেন, আমি তো প্রতিদিন ১০ টাকা টোল দিয়ে আসতেছে। হঠাৎ আমি এতো টাকা কোথায় পাবো। আমি একজন ক্ষুদ্র কাচাঁমাল ব‍্যবসায়ী। টাকা দিতে পারবো না। উভয়ের মাঝে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে শিপলু মিয়ার দোকানে থাকা কাচাঁমাল গুলো লাথি মেরে ফেলিয়ে দেয় এবং ডিজিটাল স্কেল তার অফিস ঘরে নিয়ে যায়।


গনমাধ‍্যম কর্মীর সাথে কথা হলে ইজারাদার মনজুরুল বলেন, আমার খুশি মত আমি যা করার করেছি। আপনার যা ইচ্ছা তাই করেন। এখানে দোকানদারী করতে হলে টাকা দিয়ে করতে হবে।


ভুক্তভোগী শিপলু মিয়া অভিযোগ করে বলেন, আমরা ছোট ব‍্যবসায়ীরা তহশীলদারকে ১০ টাকা হারে টোল দিয়ে ব‍্যবসা করে আসতেছি। নতুন ইজারাদার আসার পর হঠাৎ করে দোকানীর কাছে অতিরিক্ত টোল ও চাদাঁ দাবী করে আসছে।


ক্ষুদ্র ব‍্যবসায়ী ভুক্তভোগী  জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আমরা দীর্ঘদিন যাবৎ ৫/১০ হারে টোল দিয়ে আসতেছি। বর্তমান মনজুরুল ও বাবু মিয়া ইজারা নেয়ার পর ক্ষুদ্র ব‍্যবসায়ীরা বিরাট আতংক বিরাজ। তারা জুলুম করে অতিরিক্ত ৫০/ ১০০ টাকা টোল দাবী করে আসছে।


 তিনি আরও বলেন শিপলুর কাছে ৫০,০০০ টাকা চাদাঁ না পাওয়ায় তার দোকান লাথি মেরে দুমড়ে মুচড়ে দেয় এবং সেদিন থেকে তাকে আর দোকান খুলতে দেয় নাই।


ভুক্তভোগী মমিনুর, রাসেল, জামিনুর বলেন, ইতিপূর্বে বাবু মিয়ার পিতা মরহুম সোরাব সাহেব বড়ভিটা বাজার ইজারা নিয়েছিল।তার সময় ব‍্যবসায়ীরা যথেষ্ট নির্যাতিত হয়েছে। যখন তখন যে কোন দোকানীর নিকট হইতে অতিরিক্ত টাকা দাবী করে নিয়েছে। কেউ অপারগতা প্রকাশ করলে তাকে দোকান থেকে বের করে দিয়েছিল।


নতুন করে তার ছেলে বাবু মিয়া ও মনজুরুল ইসলাম বাজার ইজারা নেওয়ায় আমরা ব‍্যবসায়ীরা কেউ নিরাপদ নই।যে কোন সময় অঘটন ঘটে যেতে পারে।আমরা সব ব‍্যবসায়ী মিলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর আবেদ করেছি। আমরা  এর প্রতিকার চাই। ৫০ /১০০ টাকা টোল দিয়ে  ব‍্যবসা করা সম্ভব নয়। আমরা ব‍্যবসা ছেড়ে রাস্তায় নেমে যাবো। 


এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ অফিসার ইনচার্জ রাজিব কুমার রায় বলেন, শিপলু নামীয় এক ব‍্যবসায়ীর অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে ব‍্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


উপজেলা নির্বাহী অফিসার নূর-ই-আলম সিদ্দিকী বলেন, বড়ভিটা ব‍্যবসায়ীগণ গনস্বাক্ষরিত একটি আবেদন করেছে।বিষয়টি

সহকারী কমিশনার(ভূমি) কে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

এলাকার খবর