কিশোরগঞ্জ থেকে,
এম.এ.এইচ জাকারিয়া ১২/১৩ বছর ধরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হাতকে শক্তিশালী করার জন্য তাঁর সরকারের যত উন্নয়ন ও অর্জন অব্যাহত রাখতে ব্যক্তিগত উদ্যােগে নিজ অর্থায়নে সহায়ক হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি সমাজের যে কোন অন্যায়, অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে কুণ্ঠাবাধ করেন না। বিশেষ করে যৌতুকলােভি, শিশু ও নারী নির্যাতনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান। প্রয়ােজনে তিনি নির্যাতিত পরিবারকে আইনি সহায়তা দেয়াসহ আর্থিক সহায়তা করে থাকেন। তিনি পরোপকারী, ন্যায়পরায়ণ, সময়ের গুণাবলী, সময়ের শ্রেষ্ঠ সাহসী সন্তান, বিশিষ্ট সমাজসেবক, নীলফামারী জেলার কিশোরগঞ্জ উপজেলার পুটিমারী ইউনিয়ন সাবেক চেয়ারম্যান প্রয়াত আজিজার মিঞার সন্তান। তিনি একজন সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা।
তিনি ১ মেয়ে ও ১ ছেলের বাবা। মেয়ে মেডিকেল অফিসার, ছেলে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার উভয় ঢাকায় কর্মরত। জামাতা উপ-সচিব। তাঁর স্ত্রী শামিম আরা মুক্তা গৃহিনী সফল জননী। উপজেলা, জেলা এবং বিভাগীয় পর্যায়ে জয়িতা পুরুষ্কার প্রাপ্ত মাতা। এক কথায় তিনি একজন সফল ও সার্থক অভিভাবক।
তিনি একজন সৎ, ন্যায় পরায়ণ,নীতিবান, উদার সমাজ সংষ্কারক হিসেবে পরিচিত। ছাত্র জীবন থেকে তিনি অসহায়ও দুঃখী মানুষের পাশে থেকে মানব সেবায় অভ্যস্ত ছিলেন। ব্যক্তি হিসেবে সমাজে রয়েছে তার যথেষ্ঠ সুনাম। তিনি যেমনি দক্ষ ও বলিষ্ঠ এক সমাজ সেবক হিসেবে সমাজে ব্যাপক পরিচিত লাভ করেছেন। তিনি এলাকার সবার প্রিয় মানুষ, গরীব দুঃখীসহ সমাজের সাধারণ মানুষের সঙ্গী।
অসহায় ছিন্নমুলদের পরমবন্ধু। তিনি তাদেরকে মন প্রান দিয়ে ভালোবাসেন। দুর্নীতি, বাল্যবিবাহ, মাদক, ইভটিজিং বিরোধী লিফলেট বিতরণ, উঠান বৈঠক, প্রতিটি পাড়া মহল্লায়, নারী শিশু নির্যাতন, শিশু শ্রম বন্ধ করাসহ এলাকার মানুষের উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন জনকল্যাণ মূলক কাজের জন্য ২০১০ সালে প্রতিষ্টা করেন প্রায়াত চেয়ারম্যান আজিজার মিঞা সমাজ কল্যাণ সংস্থা। তিনি অসামান্য অবদানের জন্য “ সিংহ পুরুষ” উপাধিতে ভূষিত হয়েছেন। তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শে গড়া একজন সমাজকর্মী, সমাজ সেবক সাদামনের মানুষ ও বঙ্গবন্ধু পরিষদ কিশােরগঞ্জ উপজেলা শাখার সহ-সভাপতি। পেয়েছেন অসংখ্য সন্মাননা ক্রেস্ট। অর্জন করেছেন, বাংলার বাঘ উপাধি।
গত করোনার সময় মা্ক্স ও সাবান বিতরন, অর্থ সহায়তা দেন। জানা যায়, এম.এ.এইচ. জাকারিয়া মাননীয় প্রধানমন্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে চালু করেছেন, মান সম্মত শিক্ষায় শিক্ষিত আলােকিত মানুষ চাই- এরই লক্ষ্যে উপজেলার সমস্ত প্রাইমারীর সকল বৃত্তিপ্রাপ্তদের সংবর্ধনা ও পুরুষ্কার প্রদান করেন। নিরক্ষর মুক্ত গ্রাম গড়ার লক্ষ্যে গ্রামের প্রতিটি নিরক্ষর মানুষকে স্বাক্ষর জ্ঞান দান কর্মসূচীর আওতায় এনে- যাতে টিপসহি দিতে না হয় সে ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ এবং গ্রামগুলােকে নিরক্ষর মুক্ত ঘোষণা। নারীর ক্ষমতায়ন আরো বেশি অগ্রগতি চাই- এই মর্মে কিছু স্বামী পরিত্যক্তা নির্যাতিতা অবহেলিত মহিলাকে পুনর্বাসন এবং সেলাই মেশিন প্রদান করেন। শুধু তাই নয় নারীর ক্ষমতায়ন বৃদ্ধিতে ও কর্মসংস্থান তৈরীতে নারীদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ এবং নির্যাতিতা মহিলাদের আইনী সহায়তা দেয়ার জন্য আত্নপ্রকাশ করছে চেয়ারম্যান বাড়ী মহিলা উন্নয়ন সমিতি। বাল্যবিবাহ ও যৌতুক প্রথা উচ্ছেদে কিছু কার্যকর ভূমিকা রেখেছেন তিনি।
এম.এ.এইচ. জাকারিয়া সাহেবের সাথে কথা হলে তিনি জানান, আমি ব্যক্তি গত ভাবে এসব সামাজিক, আর্থ-সামাজিক উন্নয়নমূলক মহৎ কাজের মধ্য দিয়ে সরকারের এই উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখতে অত্র উপজেলার ২ নং পুটিমারী ইউনিয়নকে শতভাগ নিরক্ষর মুক্ত করার কাজে আত্মনিয়োগ করে আমার ভেড়ভেড়ী গ্রামকে নিরক্ষর মুক্ত করতে পেরেছি। ইনশাআল্লাহ!
এই ভাবে সমস্ত ইউনিয়ন তথা উপজেলা ও জেলাকে তথা বাংলাদশকে যেন নিরক্ষর মুক্ত করতে পারেন। এটাই তাঁর প্রত্যাশা। তিনি সরকারের এই উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখতে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বাস্তবায়নে চাকুরীজীবি, ব্যবসায়ী ও বিত্তবানদের প্রতি এগিয়ে আসার আহবান জানান। যেখানে ভবিষ্যত প্রজন্মের তরে থাকবে- সম্ভাবনার অপার দিগন্ত। সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশের ভিশন- ২০২১ এবং ২০৪১ বাস্তবায়ন পদক্ষেপ যেমন মানসম্মত শিক্ষায় শিক্ষিত আলোকিত মানুষ চাই, ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্র্য মুক্ত, নিরক্ষর মুক্ত, বাংলাদেশ চাই। নারীর ক্ষমতায়নে আরো অগ্রগতি চাই ইত্যাদি। এটাই এম.এ.এইচ, জাকারিয়া সাহবের অদম্য ইছা শক্তি।
মাননীয় প্রধানমন্রী নির্দেশনা দিয়েছেন, মানব কল্যাণ এবং দেশের উন্নয়নে যারা নিজস্ব অর্থায়নে কাজ করেন, তাদেরকে খুজে বের করে পুরুষ্কৃত করার জন্য। তাই আসুন আমরা এসমস্ত গুণি লোকদের খুজে বের করি এবং তাদের দীর্ঘায়ু কামনা করি।
