কিশোরগঞ্জ(নীলফামারী)প্রতিনিধিঃ
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় খাদ্যবান্ধব কর্মসূচীর তথ্য হালনাগাদ (ভেরিফাইড ডাটাবেজ প্রণয়ন কার্যক্রম) করার নামে সুবিধাভোগীদের কাছ থেকে ৫৫০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। সরকারী ভাবে জনপ্রতি সুবিধাভোগীর ভেরিফাইড ডাটাবেজ প্রণয়নের জন্য ১৫ টাকা করে বরাদ্দ থাকলেও উল্টো সুবিধাভোগীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ৫৫০ টাকা আদায় করছেন সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও চেয়ারম্যান।
উপজেলার বাহাগিলি ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নং ওয়ার্ডের সদস্য সাদেকুল ইসলাম গত ১০ আগষ্ট ৪৫ জন সুবিধাভোগীর নিকট হইতে ৫৫০ টাকা করে নেয়ার অভিযোগ করেছে বিভিন্ন সুবিধাভোগীগণ।
গতকাল রাত ৮ টায় সরজমিনে গিয়ে জানা যায়, চন্ডির মন্ডপ বাজারে বাহাগিলি ইউনিয়ন পরিষদের অস্থায়ী তথ্য সেবা কেন্দ্রে বিভিন্ন সুবিধাভোগীদের নিকট হইতে অতিরিক্ত টাকা আদায় করায় তারা আন্দোলন করে এবং তাৎক্ষণিক ভাবে ৩৭ জনকে ৫০০ টাকা করে ফেরৎ দেয়া হয়।
তথ্য সেবা কেন্দ্রে কর্মরত মোস্তাফিজুরের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, ৭ নং ওয়ার্ডের সদস্য সাদেকুল ইসলাম গত ১০ আগষ্ট ৪৫ জনের নিকট হইতে ৫৫০ টাকা নিয়েছিল। সুবিধাভোগীগণ আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এসে চিল্লাপাল্লা শুরু করলে আমি ৩৭ জনকে তাৎক্ষনিক ভাবে ৫০০ টাকা করে ফেরৎ দেই অবশিষ্ট ৮ জনকে খবর দেয়া হয়েছে তারা আসলে ফেরৎ দিবো।
৭ নং ওয়ার্ডের সুবিধাভোগী মোঃ রহিদুল ইসলাম যাহার কার্ড নং ১০২২ অভিযোগ করে বলেন, সাদেকুল মেম্বার আমাদের ৪৫ কাছ থেকে ৫৫০ টাকা করে নিয়েছিল। টাকা না দিলে কার্ড বাতিল করে দিবে।
সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্য সাদেকুল ইসলামের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, চেয়ারম্যান সাহেবের নির্দেশে হোল্ডিং ট্রাক্স বাবদ ৫৫০ টাকা নেয়া হয়েছিল পরবর্তীতে ফেরৎ দেয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে কথা হলে বাহাগিলি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সুজাউদ্দৌলা লিপটন বলেন, আমি এ ব্যাপারে কিছু জানি না। এটা একান্তই তার ব্যাপার।
এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার নূর-ই- আলম সিদ্দিকী বলেন, বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে এই অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে সত্যতা পেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
