কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী) প্রতিনিধিঃ
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে পৈতিক সম্পত্তি জবরদখলের চেষ্টায় বেধম মারপিট করার অভিযোগ উঠেছে।
ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার সদর ইউনিয়নের ছিটরাজিব দুন্দিয়া পাড়া গ্রামে।
আজ ০৬ আগষ্ট -২০২২ দুপুর ১.৩০ টায় পৈতিক ভোক দখলে থাকা জমি আমিন দিয়ে মাপযোগ করার জন্য যাওয়া মাত্র দখলবাজরা লাঠি সোডা নিয়ে অতর্কিত ভাবে লাফিয়ে পড়ে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, এস মূলে মালিক মরহুম সামসুল হক, মরহুম আব্দুল লতিফ, মরহুম আমজাদ হোসেন ও মরহুম আফিজার রহমান। তাদের মৃত্যুর পর তাদের স্ত্রী সন্তানরা মালিক বটে।যাহার বর্ণনা মৌজা ছিটরাজিব, জে এল নং ৩৩, খথিয়ান নং ১০৬৩, দাগ নং ২০৮৫,৮৬,৮৭, জমির পরিমান তিন দাগে ৮৩ শতকের ২২ শতক।
আজ বেলা দেড়টায় জমিতে গেলে বেদখলের পায়তারায় লিপ্ত থাকা আব্দুস সাত্তার,পিতা মৃত্যু ওসমান গনি, শফিকুল ইসলাম পিতা মোঃ আব্দুস সাত্তার, জিবু মিয়া পিতা লাল বাবু সহ অভিযোগ যুক্ত অন্যান্য আসামী গন পূর্ব পরিকল্পিত মোতাবেক লাঠি সোটা সহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বেধম মারপিট করে।মারপিটের আঘাতে আরিফুল ইসলাম ও মরিয়ম বেগম গুরুতর আহত হলে তাদের চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করানো হয়।
উক্ত জমির ওয়ারিশ সূত্রে মালিক মরহুম আব্দুল লতিফের বিবাহিত তৃতীয় কন্যা নিলুফা ইয়াসমীন জমিতে গেলে অভিযোগ যুক্ত ২ নং বিবাদী শফিকুল ইসলাম তার শ্লীলতাহানী করে এবং অসৎ উদ্দেশ্যে একটি ঘরে আটকে রাখে।সে বাচাঁর তাগিদে জাতীয় সেবা ৯৯৯ এ ফোন দিলে কিশোরগঞ্জ থানা পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে।
এ বিষয়ে অভিযোগের বাদী ফেরোজা বেগম বলেন, আমার স্বামীরা ৪ ভাই। আমার বিয়ে পর থেকে দেখে আসছি উক্ত জমি আমার স্বামী ভাসুর সহ দেবররা ভোগ দখল করতো। তারা আজ পরিকল্পিত ভাবে আমার ছেলে মেয়ে এবং বিবাহিত ভাতিজী কে বেধম মারপিট করেছে এবং নিলুফা ইয়াসমিনের শরীরে পরিধেয় সালোয়ার কামিজ টেনে হিছড়ে ছিড়ে ফেলে।আমি এর সুষ্ঠ বিচার দাবী করছি।
কিশোরগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ রাজিব কুমার রায় বলেন, মারামারির ঘটনা শুনেছি জরুরী টিম গেছে। অভিযোগ পেলে সুষ্ঠ তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
