শিরোনাম
সর্বশেষ সংবাদ লোড হচ্ছে...

সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ বাসীর পাশে থাকতে চাইঃ জাকির হোসেন বাবুল

 



কিশোরগঞ্জ, (নীলফামারী) প্রতিনিধিঃ

আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নীলফামারীর-৪ সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ নির্বাচনী আসনের মনোনয়ন প্রত‍্যাশা ব‍্যক্ত করেছেন কিশোরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি প্রয়াত শফি উদ্দিন মিয়ার জৈষ্ঠ‍্য পুত্র উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম‍্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা  জাকির হোসেন বাবুল। ইতিমধ‍্যে ভোটারের মাঝে বইছে  ভোটের হাওয়া।ফলে এবার এই আসনটি নিয়ে ও চলছে অনেক জল্পনা কল্পনা।কেউ কাউকে ছাড় দিতে রাজী নয়। সকল রাজনৈতিক দল এই আসনটি নিজের দাবী বলে দাবী করেন। অতীত হিসাব নিকাশে দেখা যায়, 

১৯৯৬ সালে ৭ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ থেকে জাতীয় পার্টি থেকে নির্বাচিত হন সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রয়াত হুসাইন মুহাম্মাদ এরশাদের ভগ্নিপতি ড.আসাদুর রহমান।

২০০১ সালে ৮ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চার দলীয় জোটের (বিএনপি) সৈয়দপুর থেকে নির্বাচিত হন প্রয়াত আমজাদ হোসেন সরকার। ২০০৮ সালে ৯ ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ থেকে আওয়ামী  লীগের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন কর্নেল প্রয়াত মারুফ সাকলান। এরপর থেকে আসনটি জাতীয় পার্টির দখলে চলে আসে। ফলে ২০১৪ সালে ৫ জানুয়ারী নির্বাচিত হন জাতীয় পার্টি সৈয়দপুর থেকে আলহাজ্ব শওকত চৌধুরী।

২০১৮ সালে ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ থেকে নির্বাচিত হন জাতীয় পার্টির আহসান আদেলুর রহমান আদেল।


আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আগে ভাগে মাঠে নেমেছেন উপজেলার সদর ইউনিয়নের মুশা গ্রামের কৃতি সন্তান পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ বীর মুক্তিযোদ্ধা জাকির হোসেন বাবুল।

আওয়ামী রাজনীতির সাথে প্রায় ৫৩ বছর ধরে সক্রিয় আছেন। তিনি ৬৯ থেকে ৭০ সালে কিশোরগঞ্জ হাইস্কুল শাখার ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন।রংপুর জেলা ছাত্রলীগের ৭২-৭৪ সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন।৭৫ সালে উপজেলা যুবলীগের সদস‍্য নির্বাচিত হন।পরবর্তি সময় ৯২ সালে উপজেলা কৃষক লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি নির্বাচিত হন।নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করা কালীন ৯৭ সালে উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহবায়ক পদ নিয়ে মূল সংগঠনে প্রবেশ করেন। ২০০৫ সালে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করাকালীন ২০০৯ সালে উপজেলা চেয়ারম‍্যান নির্বাচিত হন। এ সময় তিনি এলাকায় ব‍্যাপক উন্নয়ন করেছেন। উল্লেখ‍যোগ‍্য উন্নয়নের মধ‍্যে উপজেলা প্রশাসন চত্বরের প্রাচীর নির্মাণ, অসহায় মানুষের চিকিৎসার কথা বিবেচনা করে নির্মাণ করেছেন ডায়াবেটিস হাসপাতাল, কেন্দ্রীয় ঈদগা মাঠ, শিল্পকলা একাডেমিক ভবন এবং যুব সমাজের খেলাধুলার জন‍্য আন্তর্জাতিক ভাবে স্থানীয় ষ্টেডিয়ামে ফুটবল খেলার আয়োজন করেছিলেন। ২০১৯ সালে সম্মেলনের মধ‍্য দিয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। পাশাপাশি সম্মিলিত মুক্তিযোদ্ধা সংসদ এর আহবায়কের ও দায়িত্ব পালন করছেন।


তৃণমূল আওয়ামী লীগের  একাধিক সূত্র বলছে, আমরা এবার দলীয় প্রার্থী হিসাবে জাকির  হোসেন বাবুল ভাইকে চাই। গত ৫ বছরে কিশোরগঞ্জে চোখেঁ পড়ার মতো কোন উন্নয়ন হয় নাই। আমরা আর ভাড়াটিয়া এমপি চাইনা। শুধু মাগুড়ার কতিপয় কিছু লোকের উন্নয়ন হয়েছে।


উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক বাবু বলেন, কিশোরগঞ্জ বাসীর একটাই চাওয়া আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসাবে বাবুল কে চাই। তিনি স্বপরিবারে দীর্ঘ ৫৩ বছর ধরে আওয়ামী রাজনীতির সম্পৃক্ত। 

একই দাবী করে অপর সাংগঠনিক সম্পাদক আতাউর রহমান আতা বলেন, তৃণমূল আওয়ামী লীগের জোড়ালো দাবী জাকির হোসেন বাবুল ভাই দলীয় প্রার্থী হিসাবে চাই। এলাকার সাধারণ মানুষ ওনাকে খুব সহজেই কাছে পায়।একান্ত ভাবে কথা বলতে পারে। আমরা ভাড়াটিয়া এমপি চাই না।


উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মশিয়ার রহমান বলেন, উন্নয়নের ধারা অব‍্যহত রাখতে হলে দলীয় এমপি বিকল্প নাই। আমরা সাংগঠনিক ভাবে কেন্দ্রে অবগত করেছি। দলমত নির্বিশেষে আমরা বাবুল ভাইকে আওয়ামী লীগের  প্রার্থী হিসাবে চাই।


একান্ত আলাপচারিতায় প্রতিবেদককে এই বর্ষীয়ান নেতা বলেন, আমি সৈয়দপুর কিশোরগঞ্জ বাসীর পাশে থাকতে চাই।  জাতীয় পার্টি মহাজোটে থেকে ব‍্যক্তিগত সুবিধা ছাড়া আর কিছু করে নাই। এলাকার কথা কখনোই ভাবে নাই। নানান প্রতিশ্রুতি দিয়ে সৈয়দপুর কিশোরগঞ্জ বাসীর সাথে তামাশা করেছে। আমরা কিশোরগঞ্জ বাসী ভৌগলিক অবস্থান থেকে বেশি তাই সকলের দাবী দলীয় প্রার্থী হিসাবে আমি মনোনয়ন প্রত‍্যাশা করছি। আমার দীর্ঘ বিশ্বাস দল আমাকে মনোনয়ন দিবে এবং আসনটি উপহার দিতে পারবো ইনশাআল্লাহ।

এলাকার খবর