মোঃ সোহাগ ইসলাম
কিশোরগঞ্জ-নীলফামারী
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে অটো বাইক ও অটো ভ্যানের নির্দিষ্ট পার্কিং না থাকায় তীব্র যানজট সহ ছোট খাট দুর্ঘটনা ঘটেই চলছে। এদের ক্ষেত্রে নেই কেন নিয়ম কানুন।
যে যার মত রাস্তার দু’পাশে এবং দোকানের সামনে পার্কিং করে রাখার কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী, কিন্ডার গার্টেন স্কুলের কোমলমতি শিশু, সাধারণ জনগণ সহ ব্যবসায়ীকে।
কিশোরগঞ্জ বাজার এলাকায় বিশেষ করে সকাল ১০ টায় এবং বিকাল থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত এ সমস্যা বেশি করে দেখা যায়। সাধারণ পথচারী, মোটরসাইকেল আরোহী, এ্যাম্বুলেন্স, কাঁচা মাল সরবরাহকারী গাড়ী,নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী সরবরাহকারী পরিবহন, সহ বিভিন্ন যানবাহনের প্রচুর ক্ষতি হয়। দোকানের সামনে পার্কিং করায় ক্রেতা সঠিক ভাবে পন্য ক্ষয় করতে পারে না।এতে করে ব্যবসায়ীদের বেচাকেনা কমে যাচ্ছে।যত্রতত্র এ সব অটোবাইক ও অটোভ্যান রাস্তার দু,পাশে রাখার কারণে তীব্র যানযটের সৃষ্টি হয়। আর যেখানে, সেখানে দূর্ঘটনার স্বীকার হচ্ছে সাধারণ মানুষ।
বাইতুন্নুর মসজিদে মার্কেটে কনফেকশনারী ব্যবসায়ী সামসুল আলম বিডিআর বলেন, অটো আমার দোকানের সামনে পার্কিং করে রেখে দেয়।অপর পাশ থেকে দোকান দেখা যায় না। এতে করে বেচাকেনা কম হয়। একই অভিযোগ করেন কসমেটিক ব্যবসায়ী মোয়াজ্জেম হোসেন, জুয়েলার্স ব্যবসায়ী আব্দুল জলিল সহ আরো কয়েকজন ব্যবসায়ী।
বিশেষ করে ঝর্ণার মোড়, থানার মোড়, বাইতুন্নুর মসজিদের মোড়, পুরাতন বাবু সিনেমা হলের সামনে রাস্তার উপরে অটোবাইক ও অটোভ্যান রেখে যাত্রী উঠানামা এবং ভাড়া আদায় করে। এতে করে তীব্র যানযট সহ দূর্ঘটনা ঘটছে অনেক। নেই কোনো ট্রাফিক ব্যবস্থা। যে যার মত করে গাড়ী রেখে বসে আছে তাদের অটোবাইক বা অটো ভ্যানের উপর।
এদের কোন নিময়কানুন নেই। এক সময় প্রতিদিন তাদের কাছ থেকে ১০ টাকা করে টোল আদায় করা হতো। কিসের টাকা নেয়, এটা অটোবাইক চালকরা জানতো না । তবে অভিযোগ ছিল এই টাকা নিচ থেকে উপর পর্যন্ত ভাগ বাটোয়ারা হত। বিষয়টি প্রশাসনের দৃষ্টিগোচড় হলে তা বন্ধ করে দেয়।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার নূর-ই-আলম- সিদ্দিকী বলেন, বিষয়টি আমিও লক্ষ করেছি। কয়েকবার মাইকিং করা হয়েছে। আবার কিছুদিন পর পূর্বের অবস্থানে ফিরে আসে।
