নিজস্ব প্রতিবেদক
সরে জমিনে তদন্ত করে জানা গেছে যে রবিউল আওয়াল ১১ বছর যাবত বিদেশে থাকে।। সে কারো সাথে কোনরকম প্রতারণা করে নাই। সে খুবই সৎ এবং নিরীহ ছেলে। ছুটিতে বাড়ি আসলে বিভিন্ন মসজিদে জুমার নামাজ এর ইমামতি করত এবং কুরআনুল কারীমের সুন্দর ব্যাখ্যা করত । তার সততা এবং চরিত্রের গুণাবলী ভালো থাকায় তার সাথে পরামর্শ করে প্রায় এক বছর আগে রবিউলের সাথে পরামর্শ করে দশ জন ছেলে ওমানে যায়। বর্তমানে মিঠু, নয়ন, পিউল, নাজিমুল,(৪জন) ওমানে কর্মরত আছে। দশজনের মধ্যে আর তিনজন ছুটিতে বাংলাদেশ আসলে আবারো ওমানে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। আর বাকি তিনজন লেবু,দুদু, , এবং মোশারফ এরা ওমানে কাজ করে দেশে অনেক টাকাও পাঠিয়েছে।। বিদেশের কাজ পছন্দ না হওয়ায় এবং বিদেশে থাকতে না পাড়ায় দেশে ছুটিতে এসে কে বা কাহার কু পরামর্শে রবিউলের বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদ প্রচার করে একজন রেমিটেন্স যোদ্ধাকে কিভাবে জনসমক্ষে হীন করা যায় এই নোংরামি চিন্তাভাবনা তাদের মাথায় আসে । এজন্য মিথ্যা সংবাদ প্রচার করে এলাকার লোক এবং প্রশাসনকে বিভ্রান্ত করছে। অভিযোগ এনেছে ১০ পরিবার নিঃস্ব।।তাহলে যেখানে এখনো ৪জন ওমানে কর্মরত,আছে। ছুটিতে আসা অন্য তিনজন আবারো ওমানে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে,। তাহলে 10 পরিবার নিঃস্ব হলো কিভাবে।। সংবাদটি সম্পূর্ণই মিথ্যা, ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত । ঘটনার মূল নায়ক মোঃ লেবু মিয়া এবং তার প্রধান সহযোগী দুদু মিয়া একজন রেমিট্যান্স যোদ্ধার বিরুদ্ধে মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন অভিযোগ এর সংবাদ পরিবেশন করায় প্রশাসনের নিকট আমি তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আবেদন করছি।
