মোঃ ওয়াজেদুল ইসলাম
কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী) থেকে,
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ বাজারে শীতকালীন সবজি কম উঠায় দ্বিগুণ দাম হাঁকানো হচ্ছে। এছাড়া অন্যান্য সকল সবজি বিক্রি হচ্ছে হাফ সেঞ্চুরির উপরে।গতকাল বৃহস্পতিবার কিশোরগঞ্জ সবজি বাজারে করলা বিক্রি হয়েছে ৮০ টাকা কেজি দরে।আলু ৬০-৭০ টাকা, ফুলকপি ৮০ টাকা, বাধা কপি ৬০ টাকা, টমেটো ১০০ টাকা, সিম ১০০ টাকা, পেয়াজ ১৪০ টাকা, কাঁচা মরিচ ২০০ টাকা, লাউ আকার ভেদে ৬০/৭০ টাকা, কচুর লতি ৬০ টাকা, পেপে ৪০ টাকা ও সজি (কচু) ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হচ্ছে। সবজি বিক্রেতা লাল মিয়া বলেন,এবারে আশ্বিন মাসে প্রচন্ড বৃষ্টি হওয়ায় আবাদি জমি তলিয়ে গিয়েছিল। এ কারণে ফসল হয়েছে অনেক কম।গ্রাম থেকে যেভাবে সবজি আসতো তার তুলনায় বাজারে আসছে অর্ধেক। আমরা মাঠ থেকে সবজি কিনে আনছি বেশি দামে। প্রতি কেজি সবজিতে ১০ টাকার বেশি লাভ হয় না বলে জানান তিনি। অপর এক সবজি ব্যবসায়ী বলেন,এবারে আগাম শীত কালিন সবজির আবাদ ও আমদানি অনেকটা কমে গেছে। আর তাই ২/৩ টি সবজি ছাড়া প্রায় সব সবজির দামে আগুন লেগেছে। তবে ক্রেতা সাধারণ বলছেন, কিশোরগঞ্জ উপজেলায় যেসব জমিতে আগাম শীত কালিন সবজির চাষাবাদ হয়, সে জমি গুলো সবই উচু। নিচু জমিতে বন্যার পানি ২/৩ দিন আটক থাকলেও উচু জমি গুলোতে এর প্রভাব পড়ে না। উপজেলার বাহাগিলি, চাদঁখানা, গাড়াগ্রাম, মাগুড়া ও সদর ইউনিয়নে পর্যাপ্ত সবজির চাষাবাদ হয় এবং হয়েছে। আবাদকৃত ওইসব সবজি কিশোরগঞ্জের চাহিদা মিটিয়ে অন্যান্য অঞ্চলে ও সরবরাহ করা সম্ভব। সিন্ডিকেট ব্যবসায়িরা কৃষকদের আগাম সবজি কম মুল্য দিয়ে কিশোরগঞ্জ বাজারে চড়া দামে বিক্রি করছেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে বে-সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের একজন শিক্ষক বলেন,বাজারে সব কিছুর দাম বেড়েছে, শুধু বাড়েনি বেতন ও মানুষের দাম।যা বেতন পাই তা দিয়ে বাচ্চাদের পড়াশুনা হয় না। পেট পুড়ে খাওয়া তো দূরের কথা। ভয়ে আত্মীয়স্বজনকে বাসায় দাওয়াত দিতে পারি না।বাজারে সবজির দামে যে আগুন লাগবে ভাবিনি।বর্তমানে জনগনের পাশে কেউ দ্বাড়াঁয় না বলেই ব্যবসায়িরা তাদের ইচ্ছে মতো দাম হাঁকাচ্ছে।
