শিরোনাম
সর্বশেষ সংবাদ লোড হচ্ছে...

কিশোরগঞ্জে ভুট্রার ভালো ফলনের সম্ভবনা এবং দামেও খুশী কৃষককিশোরগঞ্জে ভুট্রার ভালো ফলনের সম্ভবনা এবং দামেও খুশী কৃষক




মোঃ মারিফুল ইসলাম

কিশোরগঞ্জ  (নীলফামারী) থেকে,


নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় প্রতি বছর বাড়ছে ভুট্টার চাষাবাদ। ধান, গম ও অন্যান্য ফসলের তুলনায় খরচ ও পরিশ্রম কম এবং দাম ভালো পাওয়ায় চাষিরা ভুট্টা চাষাবাদে ঝুঁকেছেন। এ ছাড়া সরকারি প্রণোদনা ও সহযোগিতা দেওয়ায় প্রতি বছরই বাড়ছে ভুট্টার আবাদ।কম খরচে অধিক লাভের আশায় কৃষকরা ভুট্টা চাষ করছেন। ভুট্টা চাষে প্রতি বিঘায় হাল, বীজ, সার, ওষুধ ও শ্রমিক দিয়ে প্রায় ৫-৭ হাজার টাকার মতো খরচ হয়। এ ছাড়া আলুর জমিতে ভুট্টার আবাদ করলে খরচ একটু কম হয়।প্রতি বিঘায় ভালো মানের ভুট্টা হলে ফলন আসে ৩০-৩৫ মণ। এ ছাড়া কমপক্ষে ২৫-৩০ মণের মতো ফলন হয়ে থাকে।বর্তমানে যেখানে নতুন ভুট্টার দাম যাচ্ছে ৮০০ টাকা মণ । ভুট্টার আবাদে রোগবালাই তেমন নেই। উপজেলার সদর ইউনিয়নের কেশবা গ্রামের কৃষক হেলাল উদ্দিন জানান, তিনি এবছর ৫ বিঘা জমিতে ভুট্টার আবাদ করেছেন। প্রতি বিঘায় সব মিলে খরচ হয়েছে ৬-৭ হাজার টাকা। আর ফলন হয়েছে প্রতি বিঘায় ২৮-৩০ মণ ভুট্টা। প্রতি মণ ভুট্টা বিক্রি করেছেন ৮০০-৮৫০ টাকা। বাজে ডুমুরিয়া গ্রামের সিদ্দিক জানান, আড়াই বিঘা জমিতে ভুট্টা চাষ করেছেন তিনি। অন্যান্য ফসলের তুলনায় ভুট্টা চাষে খরচ ও পরিশ্রম কম। দামও ভালো পাওয়া যায়। প্রতি মণ ভুট্টা ৮০০-৮৫০ শত টাকা দাম পাওয়া যাচ্ছে।এবিষয়ে উপজেলা কৃষি অফিসার লোকমান আলম জানান, ভুট্রার চলতি মৌসুমে ৯৮০ জন কৃষকের মাঝে বীজ ও সার প্রণোদনা দেয়া হয়েছে এবং সার্বক্ষণিক মাঠ পর্যায় উঠান বৈঠকে পরামর্শ প্রদান করা হয়েছে যার ফলশ্রুতিতে গত বছরের তুলনায় এবছর ভুট্টার চাষাবাদ খানিকটা বেশি হয়েছে। এ বছর ৩ হাজার ৩ শত ৫০ হেক্টর জমিতে ভুট্টার চাষাবাদ হয়েছে। দামও কিছুটা ভালো পাওয়ায় কৃষকেরা আনন্দিত ও খুশী।


মোঃ মারিফুল ইসলাম

কিশোরগঞ্জ  নীলফামারী


নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় প্রতি বছর বাড়ছে ভুট্টার চাষাবাদ। ধান, গম ও অন্যান্য ফসলের তুলনায় খরচ ও পরিশ্রম কম এবং দাম ভালো পাওয়ায় চাষিরা ভুট্টা চাষাবাদে ঝুঁকেছেন। এ ছাড়া সরকারি প্রণোদনা ও সহযোগিতা দেওয়ায় প্রতি বছরই বাড়ছে ভুট্টার আবাদ।কম খরচে অধিক লাভের আশায় কৃষকরা ভুট্টা চাষ করছেন। ভুট্টা চাষে প্রতি বিঘায় হাল, বীজ, সার, ওষুধ ও শ্রমিক দিয়ে প্রায় ৫-৭ হাজার টাকার মতো খরচ হয়। এ ছাড়া আলুর জমিতে ভুট্টার আবাদ করলে খরচ একটু কম হয়।প্রতি বিঘায় ভালো মানের ভুট্টা হলে ফলন আসে ৩০-৩৫ মণ। এ ছাড়া কমপক্ষে ২৫-৩০ মণের মতো ফলন হয়ে থাকে।বর্তমানে যেখানে নতুন ভুট্টার দাম যাচ্ছে ৮০০ টাকা মণ । ভুট্টার আবাদে রোগবালাই তেমন নেই। উপজেলার সদর ইউনিয়নের কেশবা গ্রামের কৃষক হেলাল উদ্দিন জানান, তিনি এবছর ৫ বিঘা জমিতে ভুট্টার আবাদ করেছেন। প্রতি বিঘায় সব মিলে খরচ হয়েছে ৬-৭ হাজার টাকা। আর ফলন হয়েছে প্রতি বিঘায় ২৮-৩০ মণ ভুট্টা। প্রতি মণ ভুট্টা বিক্রি করেছেন ৮০০-৮৫০ টাকা। বাজে ডুমুরিয়া গ্রামের সিদ্দিক জানান, আড়াই বিঘা জমিতে ভুট্টা চাষ করেছেন তিনি। অন্যান্য ফসলের তুলনায় ভুট্টা চাষে খরচ ও পরিশ্রম কম। দামও ভালো পাওয়া যায়। প্রতি মণ ভুট্টা ৮০০-৮৫০ শত টাকা দাম পাওয়া যাচ্ছে।এবিষয়ে উপজেলা কৃষি অফিসার লোকমান আলম জানান, ভুট্রার চলতি মৌসুমে ৯৮০ জন কৃষকের মাঝে বীজ ও সার প্রণোদনা দেয়া হয়েছে এবং সার্বক্ষণিক মাঠ পর্যায় উঠান বৈঠকে পরামর্শ প্রদান করা হয়েছে যার ফলশ্রুতিতে গত বছরের তুলনায় এবছর ভুট্টার চাষাবাদ খানিকটা বেশি হয়েছে। এ বছর ৩ হাজার ৩ শত ৫০ হেক্টর জমিতে ভুট্টার চাষাবাদ হয়েছে। দামও কিছুটা ভালো পাওয়ায় কৃষকেরা আনন্দিত ও খুশী।

এলাকার খবর