মোঃ আশরাফুল ইসলাম রাজু
নীলফামারী জেলা প্রতিনিধিঃ
শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে কুরবানির পশু বিক্রির হাট। তবে বিক্রেতারা বলছেন, বাজারে উপচেপড়া ভিড় দেখা গেলেও এর মধ্যে দর্শকের সংখ্যাই বেশি।বিক্রেতারা বলছেন,সামনে আরও দুটি হাট আছে ইনশাআল্লাহ এই দুই দিনে আরও ভালো কেনা বেচা হবে একই দাবি করছেন, বাজার ইজারাদারেরাও।
শুক্রবারবার (১৪ জুন) কিশোরগঞ্জ উপজেলার বড়ভিটা হাট বাজারে শত শত গরু দেখা গেছে। ছোট বড় হরেক রকমের গরু উঠেছে বাজারে। তবে বিক্রি কম।
বিক্রেতা আবুল হোসেন জানান, অর্থনৈতিক মন্দার কারণে গরুর বাজার তেমন জমে উঠছে না। তবে সময় যতই ঘনিয়ে আসছে ক্রেতারা ততবেশি হাটমূখী হচ্ছে এই দুই দিনে বাজার আরও জমবে বলে দাবি সকলের।
এবার অন্য বছরের চেয়ে বিদেশী গরুর আধিক্য তুলনামূলক কমায় ক্রেতাদের বেশিরভাগের নজর দেশীয় গরুর প্রতি। তবে ভারতীয় গরুও রয়েছে প্রচুর। জেলার জলঢাকা উপজেলার মীরগঞ্জ হাটে সর্বোচ্চ সাড়ে ৬ লাখ টাকা দাম চাওয়া হয়েছে একটি গরুর। তবে বিক্রির আশানুরূপ সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানান ঐ গরুর বিক্রেতা।
ডিমলা বাজারের গরু বেপারী আলতাফ হোসেন জানান, বাজার মন্দা থাকার কারণে এবারে লোকসানের মুখও দেখতে হচ্ছে তাদের।এভাবে সব এলাকার চিত্র একই বলে তিনি মন্তব্য করেন।
কিশোরগঞ্জ উপজেলার বড়ভিটা বাজারের ইজারাদার জানান, অন্য বছরের তুলনায় এবার গরু বিক্রি কম।তবে বড়ভিটায় নতুন আঙ্গিকে হাট স্থাপিত হওয়ায় ক্রেতা এবং বিক্রেতাদের মাঝে এবারে স্বস্তির নিঃশ্বাস মিলছে।হাটে ক্রেতা এবং বিক্রেতাদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা রয়েছে।একইসাথে যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো থাকায় বড়ভিটা হাটে মানুষের উপচে পড়া ভীর আছে বলেও জানান তিনি।
গরু কিনতে আসা বড়ভিটা ফজলা চেয়ারম্যান পাড়া গ্রামের বাসিন্দা কীটনাশক ব্যবসায়ী আঃলতিফ বলেন, অন্যান্য বছরে ঈদুল আজহা উপলক্ষে শতকরা ২০ ভাগ প্রবাসী দেশে এসে ঈদ কাটান। কিন্তু এবার প্রবাসীর সংখ্যা তুলনামূলক আসেনি। এতে শুধু গরুর বাজার নয়, সবকিছুতেই এর প্রভাব পড়েছে।
