শিরোনাম
সর্বশেষ সংবাদ লোড হচ্ছে...

কিশোরগঞ্জে বিক্রিত জমি রেজিষ্ট্রেরী করে না দেওয়ার অভিযোগ



মোঃ সবুজ মিয়া, স্টাফ রিপোর্টার:




নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে বিক্রিত জমি রেজিষ্ট্রেরী করে না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে একই উপজেলার রনচন্ডী ইউনিনের কিশামত বীরচরণ খলিল চেয়ারম্যানের পাড়ার মৃত আব্বাস আলীর ছেলে আব্দুল জলিলের বিরুদ্ধে। অভিযোগ সূত্রে জানাযায় দীর্ঘ কয়েক বছর আগে রনচন্ডী ইউনিয়নের কিশামত বীরচরণ খলিল চেয়ারম্যানের পাড়ার মৃত আব্বাস আলীর ছেলে আব্দুল জলিল কিশামত বীরচরণ মৌজার ৪১৬ খতিয়ান ২৫৯০ দাগে ২৯ শতক জমি গাড়াগ্রাম ইউনিয়নের পূর্ব দলিরাম গনেশের বাজার এলাকার মৃত কালি মোহন রায়ের ছেলে শ্রী কুলোদা মোহন রায়ের নিকট ৪,৫০,০০০ (সাড়ে চার লক্ষ) টাকা নিয়ে বিক্রি করেন। বিক্রিত জমি ক্রয়ের পর থেকে শ্রী কুলোদা মোহন রায়ের ভোগ দখলে রয়েছে এবং সেখানে ফসলাদি চাষাবাদ করে আসছেন।



শ্রী কুলোদা মোহন রায় ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে ক্রয়কৃত ২৯ শতক জমি বিক্রেতা  আব্দুল জলিলের নিকট রেজিষ্ট্রেরী করে নিতে চাইলে রেজিষ্ট্রেরী করিয়া দিবে মর্মে দীর্ঘদীন ধরে টালবাহনাসহ কালক্ষেপন করে আসছে। এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে একাধিকবার শালিশ-বৈঠক হলেও কোন কাজে আসেনি। শ্রী কুলোদা মোহন রায় অভিযোগ করে বলেন জমিটি ক্রয়ের পর আমি তার নিকট থেকে কোন প্রকার ডকুমেন্ট নেইনি কিন্তু ৫ (পাঁচ) বছর ধরে জমিটি আমার দখলে রয়েছে এবং জমিতে ফসলাদি লাগিয়ে আসিতেছি। একই জমি ওই এলাকার সাহাব উদ্দিনের ছেলে সুজা মিয়ার নিকট ৩,০০০০০/-(তিন লক্ষ) টাকা নিয়ে বন্ধক দেন আব্দুল জলিল। পরে সুজা মিয়া উক্ত জমিতে চাষাবাদ করতে গেলে তিনি জানতে পারেন ওই জমি ইতোপুর্বে কুলোদা নামক এক হিন্দু ভদ্র লোকের নিকট বিক্রিয় করেন।



গাড়াগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জোনাব আলী বলেন কিশামত বীরচরন এলাকার আব্দুল জলিলের নিকট কুলোদা মোহন রায়  একটি জমি ক্রয় করেছে বিষয়টি আমি শুনেছি।এ ব্যাপারে ক্রেতা কুলোদা গত ২০/০৬/২০২৫ইং  তারিখে কিশোরগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ অভিযোগ দাখিল করেন। এ বিষয়ে জমির মালিক আব্দুল জলিলের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন আমি তার নিকট জমি বিক্রি করিনি বন্ধক রেখেছি।

এলাকার খবর